
স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে রাস্তার দুর্ভোগ নিয়ে সাংবাদিকের ফেসবুক পোস্ট দেখে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার একদিন পরই মসজিদ ও মাদরাসায় আসা-যাওয়ার রাস্তা কাঁদামুক্তসহ স্থানীয়দের চলাচলে উপযোগী করে দিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম। উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া পূর্বপাড়া গ্রামের কয়েড়া পূর্বপাড়া জামে মসজিদ ও মাদরাসায় যাওয়ার প্রধান রাস্তাটি বালু ও ইটের খোয়া ফেলে সংস্কার করা হয়।
জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া পূর্বপাড়া মসজিদটির কয়েক’শ মিটার রাস্তাটি ২০২১-২২ অর্থ বছরে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে সিসি ঢালাই করা হয়েছিল। এরপর ট্রাকযোগে ইট, বালু নানা সামগ্রী আনা-নেওয়া করে স্থানীয়রা। ফলে সিসি ঢালাই রাস্তাটি কয়েকদিন পরেই ভেঙে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এতে করে সামান্য বৃৃষ্টি হলে রাস্তা তলিয়ে পানি জমে কাঁদায় পরিণত হতো। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে গেলে জনদুর্ভোগ আরও বেড়ে যেত। যাতায়াতের চরম দুর্ভোগ পৌঁহাতে হয়। বিপাকে পড়েন যানবাহনের শ্রমিকরা। এ নিয়ে গত সপ্তাহে সাংবাদিক ফরমান শেখ তার ফেসবুকে নিজ এলাকার রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। তার কিছুক্ষণ পরেই রাস্তাটির জনদুর্ভোগের বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নার্গিস বেগমের।
স্থানীয় কানছু মোল্লা, রাশেদ আলী, জাহিদুল, শুক্কর মোল্লা, আব্দুল মান্নান সরকার, আজিজ সরকার ও তারা মন্ডল টাঙ্গাইল নিউজকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের রাস্তাটি কাঁদা ও খানাখন্দ ছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একাধিকবার বললেও সুফল আসেনি। পরে সাংবাদিক ফরমানের ফেসবুকের পোস্ট দেখে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম রাস্তাটি সংস্কার করে দিয়েছেন। চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম টাঙ্গাইল নিউজকে বলেন, মসজিদে যাতায়াতে জনদুর্ভোগ নিয়ে সাংবাদিক ফরমান শেখের একটি ফেসবুকে পোস্ট দেখতে পাই। পরে তাৎক্ষণিক রাস্তাটি সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংষ্কারের কাজটি সম্পন্ন করতে পেরেছি। আপাতত রাস্তাটি বালু ও ইট খোয়া দিয়ে মেরামত করা হয়েছে। শুকনো মৌসুমে প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তাটি পুণরায় পাকা করে দেওয়া হবে।