
স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আমানুর রহমান খান রানা তার হলফনামা জমা দিয়েছেন।
যেসব তথ্য দিয়েছেন তা থেকে জানা যায়, আমানুর রহমান খান রানা তার শিক্ষাগত যোগ্যতায় নিজেকে এইচএসসি পাশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার বিরুদ্ধে ৩০ টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৪ টি মামলা চলমান রয়েছে। তার সম্পদ বিবরণীতে তিনি উল্লেখ করেন, কৃষি খাত থেকে বাৎসরিক আয় ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা। বাড়ি/এপার্টমেন্ট/ দোকান বা অন্যান্য ভাড়া বাবদ তার বাৎসরিক আয় ২ লাখ ৯২ হাজার ২০০ টাকা। এ খাত থেকে তার উপর নির্ভরশীলদের আয় (স্ত্রী) ৯৯ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে তার আয় ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪০০ টাকা ও তার উপর নির্ভরশীলদের আয় (স্ত্রী) ৫ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত থেকে তার আয় ৭৫৯ টাকা। এ খাত থেকে তার উপর নির্ভরশীলদের আয় (স্ত্রী) ১ হাজার ৪৪১ টাকা। অন্যান্য খাত থেকে তার অংশীদারী আয় ৭৮ হাজার ৩৩৪ টাকা ও স্ত্রীর আয় ৭৮ হাজার ৩৩৪ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ বিবরণীতে তিনি উল্লেখ করেন, তার কাছে নগদ টাকা রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রয়েছে নিজেরে নামে ৭০ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৫ টাকা ও স্ত্রীর নামে রয়েছে ৭৬ হাজার ২৪২ টাকা।
বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার হিসেবে নিজ নামে ভেটকন ফার্মা লিঃ এ ২০ লাখ টাকা ও মদিনা অটোমেটিক এগ্রোফুড এ ১৫ লাখ ৮৩ হাজার ৩৮৪ টাকা রয়েছে। এছাড়া স্ত্রীর নামে মদিনা অটোমেটিক এগ্রোফুড এ ১৫ লাখ ৮৩ হাজার ৩৮১ টাকার শেয়ার রয়েছে। তার নামে একটি মোটর জীপ রয়েছে যার মূল্য ১৮ লাখ ৮ হাজার ১২৩ টাকা। স্ত্রীর নামে স্বর্ণ রয়েছে ৪০ ভরি। ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে নিজ নামে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ও স্ত্রীর নামে ১০ হাজার টাকার। আসবাবপত্র রয়েছে নিজ নামে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার। এছাড়া তার নামে একটি সর্টগান ও একটি পিস্তল রয়েছে যার মূল্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার।
কিন্তু বিগত ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমানুর রহমান খান রানা তার হলফনামায় এসব কোন তথ্য উল্লেখ করেননি। ৯ বছরে তার অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৫ হাজার ৮৫ টাকা। এর মধ্যে তিনি ৫ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন।
স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, তার অকৃষি জমি রয়েছে ৭৪৫.৫০ শতাংশ যার মূল্য ৫ লাখ ৬১ হাজার ৭৭৫ টাকা (ক্রয়কালীন সময়ের মূল্য)। অকৃষি জমি রয়েছে নিজ নামে ৩১.৩৯ শতাংশ যার মূল্য ৫২ লাখ ৮৯ হাজার ১০০ টাকা ও তার স্ত্রীর নামে ২৪.৩৯ শতাংশ যার মূল্য ২৬ লাখ ৯০ হাজার ২৫০ টাকা (ক্রয়কালীন সময়ের মূল্য)।
তার ঘাটাইলে ১৬ লাখ ১৭ হাজার টাকা মূল্যের বাড়ি ও টাঙ্গাইলে ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৫২০ টাকা মূল্যের বাড়ি রয়েছে। স্ত্রীর নামে ঘাটাইলে ১৬ লাখ ১৭ হাজার টাকা ও ঢাকায় ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের বাড়ি (ক্রয়কালীন সময়ের মূল্য)। এছাড়াও তার উপর নির্ভরশীলদের নামে টাঙ্গাইল সদরে ৪ টি দোকান রয়েছে যার মূল্য ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫০ টাকা। তার নামে ঢাকায় বাড়ি রয়েছে যার মূল্য ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮০০ টাকা। তার নামে রাজউকে একটি প্লট রয়েছে যার মূল্য ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।






