স্পোর্টস রিপোর্টার ॥
সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের বর্তমান খেলাধুলার পরিস্থিতি পরির্দশন করলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব জহিরুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেন ও টাঙ্গাইল যুব উন্নয়ন অধিপ্তরের সহকারী পরিচালক এনায়েত করিম।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে এসে প্রথমেই পর্যবেক্ষণ করেন পরিত্যক্ত গ্যালারীর অংশ। এরপর ভিআইপি গ্যালারীর টিনের তৈরী নষ্ট হওয়া টিন শেড, অসমতল মাঠের মাটি, দ্রুত পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেনেজ সংস্কারসহ আরো উন্নয়নমূলক কাজ।
উপ-সচিব টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম পর্যবেক্ষণকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন ও ইফতেখারুল অনুপম, কোষাধ্যক্ষ আব্বাস উদ্দিন, কার্যকরী কমিটির সদস্য ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন, আনিসুর রহমান আলো, জহিরুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ দিন যাবত টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের প্রধান গেট সংলগ্ন দক্ষিণ ও পূর্বের গ্যালারীতে ফাটল দেখার পর থেকে পরিত্যক্ত রয়েছে। এই গ্যালারী বড় ধরনের ফাটলের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় প্লাষ্টার ধসে পড়ে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। ভিআইডি গ্যালারীর টিনশেডে মরিচা পড়ে বৃষ্টির দিনে পানি পড়ে। অসমতল মাঠে বৃষ্টিতে পানি জমে যায়, পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের ব্যবস্থা ভাল না থাকায় ঠিকমতো কাজ করে না। স্টেডিয়ামের পাশেই জরাজীর্ণ জিমনেসিয়ামের বর্তমান কি অবস্থায় আছে, তা পর্যবেক্ষণ করা। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তিতে বিভিন্ন খেলাধূলা আয়োজনে যা যা করা দরকার সেটা নিয়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণের সম্পাদকের কক্ষে সার্বিক আলোচনা হয়।
এ সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব জহিরুল ইসলাম জানান, সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মাঠ পরিদর্শনে তারা পর্যায়ক্রমে যাচ্ছেন। এ পর্যায়ে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা সর্ম্পকে জানার চেষ্টা করছেন। স্টেডিয়ামে নিয়মিত খেলাধূলা চলমান কি না, স্টেডিয়ামে খেলাধূলা আয়োজন কতটুকু সম্ভব, স্টেডিয়ামের সর্বশেষ কত সালে মেরামত হয়েছিলো এবং বর্তমান কি কি মেরামতের প্রয়োজন, ক্লাবগুলোর বর্তমান কি অবস্থা এবং তাদের সাথে কিভাবে সমন্বয় করা যায় এবং বিভিন্ন খেলাধূলায় খেলোয়াড়দের পরিচর্যা কেমন হয়, কিভাবে স্টেডিয়ামে খেলাধূলার মাধ্যমে জেলার ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা যায়।