
স্টাফ রিপোর্টার, মির্জাপুর ॥
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল সেনানিবাসের ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল হোসাইন মোহাম্মদ মাসীহুল রহমান বলেছেন, পুলিশের দাবির বিষয়ে সরকারের বিবেচনা ভালোবাসা আছে। পুলিশ যাতে প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করতে পারেন সেজন্য সরকার কাজ করছে বেশি। সব জায়গায় আমরা পৌছে গেছি। সবাই কাজ শুরু করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের মুখোমুখি প্রয়োজন অনুযায়ী আপনাদের দাবি বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। সেনাবাহিনী পাশে আছে উল্লেখ করে পুলিশ সদস্যদের কাজে যোগদানের আহবান জানান তিনি। এক চাঁদাবাজ এবং যারা নিপিড়ন করেছে তাদের জায়গায় নতুন চাঁদাবাজ যাতে না আসে। এটা বন্ধ করা আমাদের সমাজের সকলের দায়িত্ব।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আগুনে পুড়ে যাওয়া গোড়াই হাইওয়ে ও মির্জাপুর থানা পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।
গত শনিবার (৪ আগস্ট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেয়া জনগন তান্ডব চালিয়ে গোড়াই হাইওয়ে থানায় আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এতে পুলিশের কয়েকটি গাড়ি, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ থানার সামনে ডাম্পিং এ থাকা আরো কয়েকটি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়।
এ সময় ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের বিগ্রেড কমান্ডার শফিউল আজম, ২৯ ইষ্ট বেঙ্গল অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আরিফুর রহমান, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়সারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার গোলাম সবুর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ নুরুল আলম, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) এস এম মনসুর মুসা, মির্জাপুর থানার ইনচার্জ (অতিরিক্ত) সালাউদ্দিন আহমেদ, গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আদিল মাহমুদ, দেওহাটা ফাড়ির ইনচার্জ গিয়াস উদ্দিন, মির্জাপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আবু আহমেদ, সদস্য সচিব আবুল কাশেম, পৌর বিএনপির সভাপতি হযরত আলী মিঞা, টাঙ্গাইল জেলা জামায়েতে ইসলামীর কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল্লাহ তালুকদার, পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।