
স্টাফ রিপোর্টার, মির্জাপুর ॥
মির্জাপুরে ট্রেন থামার দাবিতে রেল সড়ক অবরোধ ও মানবন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ট্রেন স্টেশনে তারা এ কর্মসুচী পালন করে। ট্রেন থামতে তারা সাতদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে।
মানববন্ধন ও অবরোধ চলাকালে বক্তৃতা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ইমন সিদ্দিকী, জুবায়েদ ইসলাম নিঝুম ও জাকির সিকদার।
জানা যায়, বিগত ২০২০ সালে চিত্রা এক্সপ্রেস এবং কয়েকমাস পূর্বে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস মির্জাপুরে যাত্রাবিরতী বন্ধ ও টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনটি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস চালু হলেও চিত্রার যাত্রাবিরতী ও টাঙ্গাইল কমিউটার এখনো চালু হয়নি।
টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন চালু, চিত্রা এক্সপ্রেস যাত্রাবিরতী পুণর্বহাল এবং একতা, দ্রুতযান, পদ্মা ও লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতী দাবিতে শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে বঙ্গবন্ধু রেল সংযোগ সড়কের মির্জাপুর স্টেশনে মানবন্ধন ও রেলসড়ক অবরোধ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধা সোয়া ৫টা পর্যন্ত মানববন্ধন চলাকালে তারা খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেসটি বিকেল ৪টা ৫৫মিনিটে মির্জাপুর স্টেশনের পৌছালে ট্রেনটি থামিয়ে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। আগামী সাতদিনের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নিতে কর্তৃপক্ষকে আল্টিমেটাম দেয়।
মানববন্ধন চলাকালে সেখানে উপস্থিত হন মির্জাপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান ও ট্রেনস্টেশনের স্টেশন মাস্টার কামরুল হাসান। তারা আন্দোলকারীদের দাবির ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচী তুলে নেন। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে চিত্রা এক্সপ্রস ট্রেনটি মির্জাপুর ছেড়ে যায়।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশি বিভাগের ব্যবস্তাপক নুর মোহাম্মদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের দাবি লিখিতভাবে রেলওয়ে বিভাগের মহাপরিচালকের নিকট পাঠাতে হবে।