
স্টাফ রিপোর্টার ॥ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, দেশের মানুষ আজ ঋনে জর্জরিত। শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ঋন শালিশী বোর্ড গঠন করে কৃষকদের বাঁচিয়েছিলেন। আবারো কিন্তু ঋন শালিশী বোর্ড গঠনের মতো অবস্থা হয়েছে। গত (২৮ আগস্ট) মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন ‘মঞ্চ ৭১’ এর একটি অনুষ্ঠানে আমার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকী গিয়েছিলেন। তার পাশে দাড়িয়ে “লতিফ সিদ্দিকীর দুই গালে জুতা মার তালে তালে” বলা হয়েছে। এটা শুধু লতিফ সিদ্দিকীর গালে জুতা মারা হয় নাই। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল মানুষের গালে জুতা মারা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা যদি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের হয়ে থাকেন, তাহলে তার গালেও জুতা মারা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কাদেরিয়া বাহিনীর উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধার সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
সেনা প্রধানের উদ্দেশ্য কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী গর্বিত সেনাবাহিনী। হাসিনা হঠাও আন্দোলনে সেনাবাহিনী যে ভুমিকা রেখেছে জনগণের সামনাসামনি না দাঁড়িয়ে, সেটা সেনাবাহিনীর জন্য হাজার বছরের প্রশংসার কাজ হয়েছে। শেখ হাসিনা চলে যাবার পর সেনাপ্রধান আপনি দেশের মানুষের ভালো করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাহলে দেশে এখন এতো অরাজকতা কেন? এখন কেউ কেউ ক্যান্টনমেন্ট উড়িয়ে দিতে চাচ্ছে। ক্যান্টনমেন্ট উড়িয়ে দিলে আর কি থাকে? সেনা প্রধান আপনি বিষয়টি দেখবেন।
কোটা বিরোধী, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্য কাদের সিদ্দিকী বলেন, আপনাদের একার ক্ষমতায় শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যায় নাই। আল্লাহর পক্ষ হতে গজব পরেছিল বলেই শেখ হাসিনার বিদায় হয়েছে। শেখ হাসিনা যে জুলুম-অত্যাচার করেছে, তার চেয়ে দশ গুন বেশি জুলুম-অত্যাচার আপনারা করছেন। তাহলে আপনাদের বিদায় হবে না? এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের টাঙ্গাইল জেলা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার ফজলুর হক বীর প্রতীকের সভাপতিত্বে অন্যন্য মুক্তিযোদ্ধারা বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।






