
হাবিবুর রহমান, মধুপুর ॥
টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মেডিকেল এসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) চালুর দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে দলের একাংশের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে মধুপুর উপজেলার কাইতকাই এলাকায় জামালপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে মেডিক্যাল এসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) এর সামনে মধুপুরবাসীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। চার বছর আগে নির্মিত এই প্রতিষ্ঠান চালুর দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোক অংশ নেয়।
মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, মধুপুর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না, সাবেক সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবলু, মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিনজুর রহমান নান্নু প্রমূখ।
এ সময় বক্তারা জানান, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও জামালপুর এই তিন জেলার মধ্যবর্তী স্থানে চার বছর আগে মেডিক্যাল এসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) স্থাপন করা হয়েছে। এই ম্যাটস চালু না করায় নতুন প্রজন্ম চিকিৎসা শাস্ত্রে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে অবহেলায় পড়ে থাকায় ভবনে বখাটেদের আস্তানায় পরিণত হতে চলছে। বিনষ্ট হচ্ছে নবনির্মিত এই বিশাল বিশাল অট্টালিকা। তারা অনতিবিলম্বে মধুপুরের ম্যাটস চালুর দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে তারা মধুপুর উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এ সময় বিএনপি নেতা এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বলেন, আল্লাহ যদি তাকে এমপি হতে দেয় তাহলে লাল মাটির মধুপুর-ধনবাড়ির মাঝে শিল্প ও শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলবেন। রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন করা হবে। মসজিদ মন্দির গির্জা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন উন্নয়ন করা হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, ম্যাটস চালু হলে সিনিয়র শিক্ষক আসবে স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আসবে। এখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা নিয়ে দেশের সেবায় কাজ করবে। জনগন চিকিৎসা পাবে। এজন্য তিনি ম্যাটস চালুর দাবি জানান।
উল্লেখ্য, মধুপুর পৌর শহরের কাইতকাই এলাকায় টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশেই পাঁচ একর জায়গায় ৩৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ম্যাটসের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয় বিগত ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে। চার, পাঁচ ও ছয় তলাবিশিষ্ট পৃথক ছয় ভবনে রয়েছে একাডেমিক ভবন, অধ্যক্ষের বাসস্থান, ছাত্র হোষ্টেল, ছাত্রী হোষ্টেল, শিক্ষক কোয়ার্টার এবং চতুর্থ শ্রেণির কোয়ার্টার। স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্বাবধানে ঢাকার মোহাম্মদপুরের নূরানী কনস্ট্রাকশন প্রায় চার বছর আগে অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ শেষ করে।






