স্টাফ রিপোর্টার ॥
কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ৫ দফা দাবিতে টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ মিনারে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আহসান হাবীব মাসুদ বলেন, জামায়াতের মহিলাদের মিটিংগুলোতেও হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব কোন ভালো লক্ষণ নয়। এসবের বিরুদ্ধে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সুতরাং ৫ দফার ভিত্তিতে নির্বাচন দিন। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সাধারণ জনগণকে নেতার পিছনে ঘুরতে হবে না। বরং জামায়াতের নেতারাই জনগণের সেবক হয়ে ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের প্রয়োজন পূরণ করবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না। আমাদের যৌক্তিক ৫ দাবি মেনে নিন। ঘোষিত সময়ে নির্বাচন দিন। কালো টাকার প্রভাব ও পেশী শক্তির বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। ছাত্র জনতার বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নিবেন না। এখনও সকল জায়গায় বৈষম্য বিদ্যমান। বিপ্লবের পরও আমরা চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছি। যারা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে চাচ্ছেন তাদেরকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়াসহ যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নকে তরান্বিত করুন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমীর অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. আতাউর রহমান, আহসান হাবিবুল্লাহ দেলোয়ার, অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান কোরায়েশী, শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী, সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বাদল, ডা.একেএম আব্দুল হামিদ, ইয়াহিয়া খান মারুফ, এডভোকেট সরকার কবির উদ্দিন, সদর উপজেলা সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন, শহর সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
৫ দফা দাবিগুলো হলো- জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি চালু, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতির বিচার এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
এ সময় মানববন্ধনটি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে নিরালা মোড় হয়ে ভিক্টোরিয়া রোড ও পুরাতন বাসস্ট্যান্ড হয়ে ঢাকা রোড পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। রাস্তার দুই পাশে অসংখ্য নেতাকর্মী ৫ দফা দাবি সম্বলিত প্লে কার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।