
নুর আলম, গোপালপুর ॥
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। হাদিরা-ভাদুড়িচর কলেজ কেউ পাস করেনি। নারুচি স্কুল এন্ড কলেজের কারিগরি শাখায় ৬৯ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে সারাদেশে একযোগে এবার এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষিত হয়।
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডের পাশের হার ৬৪.৬২ ভাগ। কিন্তু টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় এ হার আরো কম। জিপিএ-৫ পেয়েছেন জেনারেল শাখায় মাত্র ৩ জন ও কারিগরি শাখায় ১ জন। অকৃতকার্য হন ৬১২জন। গোপালপুর সরকারি কলেজে জেনারেল শাখায় পাস করেছে ২৪৮ জন, ফেল করেছে ২৭৫ জন এবং কারিগরি শাখায় পাস করেছে ১৩৭ জন।
এদিকে নারুচি স্কুল এন্ড কলেজের কারিগরি শাখায় ৬৯ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে। জেনারেল শাখায় পাস ১২ জন ও ফেল ৫৭ জন। হাদিরা-ভাদুড়িচর কলেজে জেনারেল শাখায় ১২ শিক্ষার্থীর কেউ পাস করেনি এবং কারিগরি শাখায় ৭ জন সবাই ফেল করেছে।
হেমনগর ডিগ্রি কলেজে জেনারেল শাখায় ২১৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস ৬৭ জন এবং কারিগরি শাখায় পাস ৩৪ ও ফেল ৫৫ জন। উপজেলার খন্দকার ফজলুল হক কলেজে জেনারেল শাখায় পাস করেছে ৩৯ জন, ফেল ৩১ জন ও কারিগরি শাখায় পাস ২৫ জন, ফেল ৪০ জন।
মেহেরুন্নেসা মহিলা কলেজে জেনারেল শাখায় ১৯৩ জনের মধ্যে পাস ১০৪ জন এবং কারিগরি শাখায় পাস ২০ জন, ফেল ১৯ জন। খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমির জেনারেল শাখায় ১ জনের মধ্যে ১ জন পাস এবং কারিগরি শাখায় পাস ৮ জন ও ফেল ৫৫ জন। শিমলা পাবলিক মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ জনের মধ্যে ১ জন পাস করেছে।
এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম এইচএসসির রেজাল্টের সেই সংবাদ জানেন না। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফল বিপর্যয়ের জন্য মোবাইল আসক্তিকে দায়ী করেন। বিপর্যস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কিছু করণীয় নেই।
এ ব্যাপারে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তুহিন হোসেন জানান, গোপালপুর সরকারি, বেসরকারি সব কলেজে ঠিকমতো ক্লাস হয় না। শিক্ষকরা নিয়মিত কলেজে আসেন না। এজন্য এমন ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে।






