
নুর আলম, গোপালপুর ॥
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর রেলস্টেশনের পাশে একটি পুকুরে মাছ চাষকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বিরোধে তারেক জিয়া ফাউন্ডেশনের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুম্মার নামাজের পর এ বিষয়ে সমাধানের জন্য পুকুর সংলগ্ন তারেক জিয়া ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে মীমাংসার জন্য বৈঠকে বসে। বৈঠকের একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে একদল দুর্বৃত্ত পরিকল্পিতভাবে দা, কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তারেক জিয়া ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে ৪ জন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার হেমনগর রেলস্টেশনের পাশে রেলওয়ের জমিতে খনন করা উদ্যমপুর বর্ণী গ্রামের কিছু কর্মী রেলের ওই পুকুরে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছিলেন। এ নিয়ে সম্প্রতি ভোলারপাড়া গ্রামের কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে সমাধানের জন্য পুকুর সংলগ্ন তারেক জিয়া ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে মীমাংসার জন্য বৈঠক বসে। বৈঠকের একপর্যায়ে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তারেক জিয়া ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
এ সময় তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান সালাম পিন্টু ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর ছবি সংবলিত ব্যানার, কার্যালয়ের সাইনবোর্ড ও টিনের বেড়া কুপিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে ৪ জন আহত হন। পরে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
হেমনগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, রেললাইনের পাশে থাকা পুকুরে মাছ ছাড়ছে ভোলারপাড়া গ্রামের লোকজন। এতে বর্ণী গ্রামের লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়েই সমস্যা তৈরি হয়। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানকে নিয়ে মীমাংসার জন্য বসেছিলাম। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সম্পাদক উপস্থিত না থাকায় আগামী সোমবার (২০ অক্টোবর) পুণরায় মীমাংসার তারিখ দিয়ে চলে আসি। পরে শুনেছি সেখানে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম রোজ তালুকদার বলেন, দুষ্কৃতিকারীরা তারেক জিয়া ফাউন্ডেশনের কার্যালয় ভেঙেছে। এখানে দলীয় কোনো গ্রুপিং নেই, তবে খাওয়া-দাওয়ার গ্রুপ থাকতে পারে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব।






