
স্টাফ রিপোর্টার ॥
লালমনিরহাট সদর থানার ধর্ষণ মামলার আসামী মেহেদী হাসান (২৫) টাঙ্গাইল থেকে গ্রেফতার হয়েছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে র্যারের অভিযানে টাঙ্গাইল পৌর শহরের আম ঘাট রোড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প হতে দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাদীর এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, ধৃত ধর্ষক এবং বাদী একই কলেজের সহপাঠি। ধৃত ধর্ষকের সাথে ভিকটিমের দীর্ঘদিনের পরিচয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। উক্ত প্রেমের সম্পর্কের কারনে ধৃত ধর্ষক ভিকটিমকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। গত ০৫ আগস্ট ২০২৫ খ্রিঃ অনুমান ১১:০০ ঘটিকায় ভিকটিমের পরিবারের লোকজন বাড়িতে না থাকার সুযোগে ধৃত ধর্ষক বাড়িতে এসে দ্রুত বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে এবং কৌশলে ভিকটিমের ব্যক্তিগত ছবি ধর্ষক তার মোবাইল ফোনে ধারন করে বলে এ বিষয়ে কাউকে জানালে ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়িয়ে দিবে মর্মে হুমকি প্রদান করে চলে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম ধৃত ধর্ষককে বিবাহ করার জন্য চাপ প্রদান করলে নীল রঙের কাগজে উভয়েই স্বাক্ষর করে বলে আমরা উভয়েই বৈধ স্বামী-স্ত্রী।
ভিকটিম বিষয়টি পরিবারের লোকজনদের জানানোর কথা বললে ধৃত ধর্ষক বলে এসব তার সাজানো নাটক। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী লালমনিরহাট জেলার সদর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩৪, তারিখ-১৬ অক্টোবর ২০২৫ খ্রি. ধারা-৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০২০)।
এরই প্রক্ষিতে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ও সদর কোম্পানি, র্যাব-১০ কেরানীগঞ্জ এর যৌথ আভিযানিক দল ধৃত ধর্ষকের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল পৌর শহরের আমঘাট রোড (কলেজ পাড়া) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে লালমনিরহাট জেলার সদর থানার ধর্ষণ মামলার ধর্ষক মোঃ মেহেদী হাসান (২৫), জেলা-লালমনিরহাট’কে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লালমনিরহাট সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।






