
স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থানে র্যাবের অভিযানে পৃথক তিনটি ধর্ষণ মামলার তিন আসামী গ্রেফতার হয়েছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) যমুনা সেতুর গোল চত্তর এলাকা, ভুঞ্াপুর ইব্রাহীম খান কলেজ গেট এলাকা এবং সখিপুর উপজেলার যোগীরকোপা এলাকা র্যাবের তিনটি পৃধক অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো, সখিপুর উপজেলার এনজিও কর্মীকে ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত এনজিও মলিক মোঃ কাদের ভূইয়া (৪০ ), ঘাটাইল উপজেলার ১৫ বছর বয়সী কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত মোঃ মেহেদী হাসান (২২) এবং পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে খালু কর্তৃক অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষন মামলার অভিযুক্ত মোঃ আঃ জলিল (৪১)।
বৃহস্পতিবার (২৩ (অক্টোবর) সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প হতে দেয়া প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার এক এনজিও কর্মীকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে এনজিও অফিসের ভিতরে জোড়পুর্বক ধর্ষণ করে এনজিওটির মালিক মোঃ কাদের ভূইয়া। এঘটনায় ঐএনজিও কর্মী গত ১৬ সেপ্টেম্বর সখিপুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলা দায়ের হওয়ার পর সিপিসি-৩ র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে কার্যক্রম শুরু করে।
এরই প্রক্ষিতে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল এর একটি আভিযানিক দল বুধবার ( ২২ অক্টোবর) যমুনা সেতুর পূর্ব পারের গোলচত্তর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত মোঃ কাদের ভূইয়া (৪০), জেলা- টাঙ্গাইল’কে গ্রেফতার করে।
এদিকে, ঘাটাইল উপজেলার ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে গত ২০ জুলাই সকালে অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে জোড়পুর্বক ধর্ষণ করে মোঃ মেহেদী হাসান।
কিশোরীর পিতা বিষয়টি জানতে পেরে আদালতে পিটিশন মামলা দায়ের করেন। আদালতের আদেশে ২ আগষ্ট টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানায় ধর্ষণ মামলা দয়ের হয়।
এরই প্রক্ষিতে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল এর আভিযানিক দল বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলার ভুঞাপুর ইব্রাহীম খান কলেজ গেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার অভিযুক্ত মোঃ মেহেদী হাসান, জেলা-টাঙ্গাইল’কে গ্রেফতার করে।
অপরদিকে, পঞ্চগড় জেলার মোঃ আঃ জলিল (৪১) নামের এক ব্যক্তি আত্বীয়তার সম্পর্কের জেরে বাড়িতে গিয়ে এক নারীর গোসলের ভিডিও ধারণ করে মোবাইল ফোনে। পরে এই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ঐ নারীকে জোড়পুর্বক ধর্ষণ করে আঃ জলিল। পরে ঐ নারী গর্ভবতী হয়ে পরেন। আঃ জলিল ঐ নারীকে গর্ভপাতের ওষুধ খাওয়ালে নারীটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। উক্ত ঘটনায় ঐ নারীর মা বাদী হয়ে ১৯ অক্টোবর পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ থানায় ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল এর অপর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২২ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানার যোগীরকোপা এলাকা হতে উক্ত মামলার আসামী মোঃ আঃ জলিল, জেলা-পঞ্চগড়’কে গ্রেফতার করে।
ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।






