
স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের বাঐখোলায় আলোচিত দাহ্য পদার্থ দিয়ে যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকান্ডে বাসযাত্রী মিম (২২) হত্যা মামলায় জড়িতসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী নজরুল ইসলাম (৬০) গ্রেফতার হয়েছে। সে বাসাইল উপজেলার বাঐখোলা গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার চরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প হতে দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া অফিসার) লুৎফা বেগম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত (১৩ নভেম্বর) রাত ১২টা ১০ মিনিটের সময় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন) ডাকা লকডাউন সফল করার উদ্দেশ্যে ঢাকা-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাঐখোলা স্টেট ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিস অফিসের সামনে যমুনা সেতুগামী লেনের উপর অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারী সন্ত্রাসীরা নারায়ণগঞ্জ হতে ছেড়ে আসা পাবনাগামী “বাংলা স্টার” নামক যাত্রীবাহী বাসে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।
বাসে থাকা যাত্রীরা জীবন বাঁচানোর জন্য দ্রুত বাস থেকে নেমে গেলেও এক মহিলা যাত্রী মিম (২২) আগুনে দগ্ধ হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যান।
উক্ত ঘটনায় গত (১৩ নভেম্বর) বাসাইল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা হয়। উক্ত মামলা হওয়ার পর সিপিসি-৩ র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে তৎপর হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সিপিসি-৩, র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল এর একটি আভিযানিক দল আসামীর বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার চরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উক্ত মামলায় জড়িতসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী নজরুল ইসলামকে (৬০) গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে ওই আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।






