
স্টাফ রিপোর্টার, কালিহাতী ॥
টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার মুন্সিপাড়া এলাকায় একটি ভাড়াটিয়া বাসা থেকে জাহিদুল ইসলাম (২৭) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত জাহিদুল ইসলাম লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বটলা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে। তিনি কালিহাতী দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি ফারুক হোসেনের মালিকানাধীন একটি ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করতেন। পেশায় তিনি পপুলার এগ্রো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। সর্বশেষ ওইদিন সন্ধ্যায় কালিহাতীর বগা রোড এলাকায় সহকর্মীদের সঙ্গে তার দেখা হয় এবং তিনি একটি বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার কথা বলেছিলেন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী তার স্বামীকে ফোনে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এরপর তিনি ওই বাসায় ভাড়া থাকা জাহিদুলের এক সহকর্মী হৃদয়কে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং খোঁজ নিতে অনুরোধ করেন। পরে সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হৃদয় বারান্দার গেট বন্ধ ও ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তিনি জাহিদুল ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে কালিহাতী থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় নিহতের কক্ষ থেকে একটি হাতের লেখা চিরকুট উদ্ধার করা হয়। যা মূলত নিহত জাহিদুল ইসলামের লেখা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। চিরকুটে কিছু বক্তব্যের পাশাপাশি দুটি মোবাইল নম্বর লেখা ছিল। তদন্তের স্বার্থে চিরকুটটি জব্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার এসআই শহিদুল্লাহ জানান, চৌচালা টিনের ঘরের কাঠের ধরনার সঙ্গে মাফলার পেঁচিয়ে তিনি গলায় ফাঁস দেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।






