
স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইল জেলায় সূর্যের দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা কমেনি। হিমশীতল বাতাস ও মাঝারি কুয়াশার কারণে জেলাজুড়ে শীতের প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। কনকনে ঠাণ্ডায় কৃষকরা মাঠে কাজ করতে পারছেন না। সড়কে মানুষের চলাচলও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। কর্মজীবীরা প্রয়োজনের তাগিদে বের হলেও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি কম। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবীরা। রিকশা, ভ্যান ও ইজিবাইক চালকরা রাস্তায় নামলেও যাত্রীর অভাবে তাদের আয় কমে গেছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৭ শতাংশ এবং মাঝারি কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা নেমে এসেছে প্রায় ৩০০ মিটারে। বুধবারের (৩১ ডিসেম্বরের) তুলনায় তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। তবে জেলার ওপর দিয়ে এখনও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা শহর ছাড়াও চরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে শীতের তীব্রতা আরও প্রকট। বেলার শেষ প্রান্তে এসে কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ভোর সকালে বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার সঙ্গে যুক্ত হওয়া হাড় কাঁপানো ঠান্ডা সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও হিমেল বাতাসের কারণে শীতের দাপট কমেনি। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। ভোরে হাড় কাঁপানো ঠান্ডার কারণে কাজে বের হতে না পারায় নিম্নআয়ের এই মানুষদের দৈনন্দিন উপার্জনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
শ্রমজীবী জুয়েল মিয়া জানান, রোদ উঠলেও ঠান্ডার তীব্রতা কমেনি। বরং বেলা গড়ানোর সাথে সাথে ভোগান্তি আরও বাড়ছে। দিনমজুর শাহীন আক্ষেপ করে বলেন, দুপুরে রোদে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গেলেও বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে পুণরায় কনকনে ঠান্ডা শুরু হয়। গৃহবধু ইয়াসমিন বলেন, সূর্যের দেখা মিললেও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়। এই কনকনে ঠান্ডায় ঘরের কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।






