
কাজল আর্য ॥
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে গণ অধিকার পরিষদ থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন। তিনি সোমবার (৫ জানুয়ারি) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হয়ে। বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, গত (২৯ ডিসেম্বর) ছিল প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। মির্জাপুর আসনে ৯ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তোফাজ্জল হোসেন। তিনি মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্শি ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, রাজধানীর পুরানা পল্টনে গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গত (২৪ জুলাই) দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেন। এতে টাঙ্গাইল জেলার ৩টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। তারা হলেন- টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে শাকিল উজ্জামান, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে তোফাজ্জল হোসেন এবং টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে ইঞ্জিনিয়ার কবীর হোসেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, নুরুল হক নুরের রাজনেতিক সংগঠন গণঅধিকার পরিষদ বিএনপির সাথে সমঝোতায় গিয়েছে। ইতোমধ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়েছেন। বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদ বা (ট্রাক) প্রতিকে নির্বাচন করার গ্রহণযোগ্যতা নেই। জনগণের জন্য রাজনীতি করি। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছি। এর মধ্যে ১৪/১৫ বার হামলার শিকার হয়েছি। জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন নিয়ে প্রার্থী হয়েছি।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর সদস্য ও দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামান বলেন, তোফাজ্জল হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদেরকে লিখিত কিছু জানান নাই। তাই তিনি এখনো গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আছেন। তবে একসাথে দুই দলে থাকার সুযোগ নেই। কারন তিনি ওই দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেই প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।






