
মমিনুল হক ॥
কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য নির্বিঘ্নে পরিচালিত হবে।ব্যবসায়ীরা যখন নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন, তখনই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকে। বিএনপি সবসময়ই একটি ব্যবসাবান্ধব দল। এ দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য যেন সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে বিএনপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজার দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
ব্যবসায়ীদের যেকোনো সুবিধা-অসুবিধায় বিএনপি পাশে থাকবে জানিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আপনাদের যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের স্মরণ করবেন, ইনশাল্লাহ আমরা আপনাদের পাশে থাকব। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্ক বাজার দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি বাবলু মিয়া।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিএনপি এ দেশের মানুষকে গণতন্ত্র উপহার দিয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেছেন। আজ বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত। তার ভিত্তি তিনি গড়ে দিয়েছেন। মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে তিনি একটি আধুনিক ও নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়তে চান। সেখানে থাকবে না কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও মাদক।
টাঙ্গাইলের প্রধান সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শহরের যানজট পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ড্রেনেজ ব্যবস্থা নাজুক এবং রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। বিশেষ করে ইউনিয়ন পর্যায়ের সড়কগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। তিনি নির্বাচিত হলে এসব সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান করবেন বলেও আশ্বাস দেন। ঢাকায় নির্বাচন না করে নিজ জেলায় নির্বাচন করার প্রসঙ্গে বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, আল্লাহ যদি আমাকে কোনো সক্ষমতা দেন। তবে তা নিজের জেলার মানুষের কল্যাণেই ব্যয় করা উচিত। তিনি প্রয়াত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের উদাহরণ টেনে বলেন, তিনি ঢাকার মেয়র, এমপি নির্বাচিত হলেও শেষ পর্যন্ত নাড়ির টানে টাঙ্গাইলে ফিরে এসে এখানকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী এবং প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ হাসান। অনুষ্ঠান শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।






