নুর আলম, গোপালপুর ॥
টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী “কৌশলগত মবের” শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গোপালপুর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিপক্ষ ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মীরা বিভিন্ন কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর পোলিং এজেন্টদের ওপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। এ সময় নারী এজেন্টরাও নিরাপদ ছিলেন না। তাদের কয়েকজনকে আলাদা কক্ষে আটকে রেখে জিম্মি করে রাখা হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসন গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ আরও জানান, গোপালপুর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সম্পাদক ইদ্রিস আলীকেও কেন্দ্র থেকে মারপিট করে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, গোপালপুর উপজেলার ৩৩টি কেন্দ্রে জোরপূর্বক ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। এ কারণে এসব কেন্দ্রে পুণঃভোট গ্রহণ এবং সামগ্রিক ফলাফল স্থগিতের দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপালপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত (দাঁড়িপাল্লা) প্রতীকের প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান তালুকদার, টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক শাহ আলম, এডভোকেট সাফিউল আলম, এবং সাবেক ছাত্রশিবির নেতা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।