
স্টাফ রিপোর্টার ॥
রমজান ঈদকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলায় জমে উঠেছে ঈদ মার্কেট। সিট কাপড় ও পোশাকের দোকানগুলোতে বেচাকেনা বেড়েছে। নতুন পোশাক কিনতে দোকানে বেড়েছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। তবে এ বছর দেশীয় পোশাকের চাহিদা রয়েছে। মার্কেটগুলোতে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে মাঝরাত পর্যন্ত থাকছে সরগরম। সব ধরনের কাপড়ের দাম অস্বাভাবিক বেশি এবার। তারপরও বেচাকেনা সন্তোষজনক বলছে ক্রেতা ও ব্যবসায়িরা।
ঈদের দিন যত এগিয়ে আসছে বিপনিবিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফুটপাত থেকে শুরু করে আভিজাত্যের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়। এবারে ক্রেতাদের কাছে বিশেষ করে দেশীয় পোশাকের বেশ চাহিদা রয়েছে। শহরের বিভিন্ন মার্কেট, শপিং কমপ্লেক্সগুলো জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ঘুরছেন বিভিন্ন দোকানে। দরদাম করে কিনছেন। অনেকে তাদের পছন্দের পোশাক পেয়েও যাচ্ছেন। রেডিমেট বা গার্মেন্টস পোশাকের দোকানে বেশি বেচাকেনা হচ্ছে। শহরের ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২০০টি গার্মেন্টসের দোকান আছে। প্রতিদিন অর্ধ কোটি টাকার বেচাকেনা হচ্ছে।
তবে এ বছর পোশাকের ফ্যাশনে কোন ট্রেন্ড (নির্দিষ্ট সময়ে জনপ্রিয়তা) নেই। ছোট ও বড়দের টপস ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। বড়দের থ্রিপিসও একই দাম। গারারা-সারারা ২ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা। জামদানি শাড়ি ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং সিল্ক ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা।
জেলা সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে পরিবারসহ ঈদ বাজার করতে এসেছে সামসুল হক। তিনি বলেন, আর কয়েকদিন পর দোকানে প্রচুর চাপ হবে। তাই একটু আগেই বাচ্চাদের নতুন পোশাক কেনার জন্য আসা। তবে ভাল জিনিসের দাম সবসময় একটু বেশি থাকাটা স্বাভাবিক। তারপর গত বছরের মতো দাম রয়েছে। সাধ্যের মধ্যে কেনা হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার টাকার মধ্যে পরিবারের চার সদস্যের পোশাক কিনেছি। শহরের সিট-কাপড়ের ব্যবসায়ি শাহিন হোসেন বলেন, ১০ রোজার মধ্যে পাইকারি বেচাকেনা শেষ। এখন যেসব সিট বিক্রি হচ্ছে তা খুচরা। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দমতো সিট-কাপড় কিনে দর্জি দিয়ে তৈরি করে নিচ্ছে।
সিদ্দিক গার্মেন্টর এর স্বত্ত্বাধিকারি আব্দুস সালাম বলেন, রমজানের ৫ রোজা থেকে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনা ভাল হচ্ছে। রমজানের ২৯ রোজা বা চাঁদরাত পর্যন্ত বেচাকেনা হবে। ক্রেতাদের কাছে এবার দেশীয় পোশাকের চাহিদা রয়েছে। দামও সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। তবে মেয়ে বাচ্চা ও তরুণীদের পোশাকের চাহিদা বেশী রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার টাকার মতো বেচাকেনা হচ্ছে।






