
স্টাফ রিপোর্টার ॥
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, আগামি পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে আসবেন এবং কৃষকদের মধ্যে কৃষিকার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) টাঙ্গাইল শহরের উদ্যান কমিউনিটি সেন্টারে টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন ও সাংবাদিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে। সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমানও এই দেশের সাংবাদিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। সারাক্ষণ রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সবচাইতে বেশি কাজ করে থাকেন তারা হচ্ছে- সাংবাদিক ভাইয়েরা। তারা নিজেদের পরিবারে ওইভাবে সময় দিতে পারেন না। সারাদিন এই সমাজের বিভিন্ন বিষয় যাতে সঠিকভাবে থাকে, কোন ব্যত্যয় না হয়- সেইগুলো তারা তুলে ধরেন।
যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমরা এই টাঙ্গাইলকে আধুনিক টাঙ্গাইলে রূপ দিতে চাই। আগামি দিনে সকলে মিলে এই টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, কিশোরগ্যাং মুক্ত করে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
অনুষ্ঠানে প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জলের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন।
টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসাদুল আখতার শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ, সাধারণ গ্রন্থাগারের সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল, দ্যা ফিন্যান্সিয়াল টুডে পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক শাহীন আব্দুল বারী, জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জেড আই খান, সিনিয়র সাংবাদিক বিমান বিহারী দাস, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামনাশীষ শেখর, টাঙ্গাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল অনুপম, কমিউনিষ্ট পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক ওয়াহেদুজ্জামান মতি প্রমুখ।
এ সময় টাঙ্গাইল প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।






