
স্টাফ রিপোর্টার, মির্জাপুর ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অগ্নিকান্ডে দুই পরিবারের বসতঘর ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কান্ঠালিয়া গ্রামে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওই গ্রামের চিত্ত রঞ্জন শীল ও লক্ষণ শীলের বসতঘর ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
জানা গেছে, বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে বসত ঘরে বৈদ্যুতিক শক সার্কিট থেকে এই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। পরে তা দাউ দাউ করে সমগ্র বসতঘরে ছড়ি পড়ে। এ সময় আশপাশের লোকজন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্য এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে চিত্ত রঞ্জন শীল ও লক্ষণ শীলের বসতঘর মালামালসহ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এই অগ্নিকান্ডে দুই পরিবারের প্রায় সাত লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এদিকে খবর পেয়ে মির্জাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি হযরত আলী মিঞা ঘটনাস্থলে যান। পরে তিনি স্থানীয় এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে অগ্নিকান্ডের বিষয়টি অবহিত করেন। পরে তাঁর নির্দেশে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাৎক্ষনিক ৫ বান্ডেল ঢেউটিন বরাদ্দ দেন। বিকালে পৌর বিএনপির সভাপতি হযরত আলী মিয়ার উপস্থিতিতে চিত্ত রঞ্জন শীলকে ৩ বান্ডেল ও লক্ষণ শীলকে ২ বান্ডেল ঢেউটিন দেয়া হয়।
মির্জাপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কহিনুর রহমান জানান, এমপি সাহেবের নির্দেশে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের দরিদ্র দুই পরিবারকে বিকালে ৫ বান্ডেল ঢেউটিন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রতি বান্ডেল ঢেউটিনের সঙ্গে ৩ হাজার টাকাও ক্ষতিগ্রস্থদের দেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
মির্জাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি হযরত আলী মিঞা জানান, অগ্নিকান্ডের ঘটনা শুনার সঙ্গে সঙ্গে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র পরিবারের খবর সঙ্গে সঙ্গে এমপি সাহেবকে অবগত করি। পরে তার নির্দেশে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাদের দুই পরিবারকে ৫ বান্ডেল ঢেউটিন বরাদ্দ দিয়েছেন।






