
স্টাফ রিপোর্টার, নাগরপুর ॥
পূর্বশত্রুতার জের ধরে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা সন্ত্রাসীদের হাতে জেলা জাসাসের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মতিয়ারসহ প্রায় ৬জন গুরুত্বর আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শাখাইল গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মুদি দোকানের পাশে। হামলায় গুরুত্বর আহতরা হলেন- এ্যাড. মতিয়ার তালুকদার, আব্দুল বাতেন, সরোয়ার তালুকদার, কাউছার আলম তালুকদার, রশিদ তালুকদার ও ফিরোজ আহমেদ। এ বিয়য়ে নাগরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাব্বির হোসেন বিগত সরকারের আমলে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলাকারী হিসেবে জেল খাটেন। জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এলাকায় এসে জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, শাকিল ও সবুজ মিলে সংঘবদ্ধ একটি দল তৈরী করে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসছেন। সাব্বির হোসেন ও জহিরুল ইসলাম নেতৃত্বে গত (১৭ মার্চ) বিকেলে শাখাইল গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মুদি দোকানের পাশে জেলা জাসাসের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মতিয়ার তালুকদারকে রাস্তায় একা পেয়ে তার উপর হামলা করে। তার ডাকচিৎকারে আত্মীয় স্বজনসহ প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদের উপরেও হামলা করে।
এতে ৫-৬জন গুরুত্ব আহত হয়। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে নাগরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এর মধ্যে সরোয়ার তালুকদারের অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ঘটনার পর থেকে শাখাইল সরকারী প্রাথামিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জহিরুল মাস্টারসহ অপরাধীরা পলাতক রয়েছে।
মামলার বাদী ফিরোজ আহমেদ জানান, সন্ত্রাসী সাব্বির হোসেন, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, শাকিল ও সবুজসহ আরো কয়েকজন মিলে জেলা জাসাসের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মতিয়ার তালুকদারের উপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। তার ডাকচিৎকারে আমরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা আমাদের উপরেও হামলা চালায় এতে আমাদের কমপক্ষে ৫-৬জন গুরুত্ব আহত হই।
এ বিষয়ে নাগরপুর থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, শাখাইলের ঘটনায় আসামীরা পলাতক থাকায় এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান চলমান রয়েছে। যে কোন সময় আসামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।






