
স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সেনা সদস্যের স্বামীকে তুলে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে মালামাল লুট করেছে অপরাধীরা। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে মহাসড়কের মির্জাপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে রোজি সুলতানা নামে এক সেনা সদস্যের স্বামী ইউনুছ রুমানকে অপরাধীরা ফিল্মি স্টাইলে প্রাইভেটকারে তুলে নেয়। পরে তাকে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দিয়ে এটিএম কার্ড, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও মালামাল লুটে নিয়েছে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা। মালামাল লুটে নিয়ে অপরাধীরা তার চোখ, মুখ ও হাত-পা বেঁধে মহাসড়কের পাশে মির্জাপুরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত ইউনুছের চাচাতো ভাই শিমুল জানায়, ইউনুছ রুমানের পিতার নাম মোজাম্মেল হক। গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার উত্তর মান্দিয়া গ্রামে। তার ভাবি সেনা সদস্য রোজি সুলতানা ঢাকা সেনানিবাসে কর্মরত। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে তার ভাই ইউনুছ রুমান তার স্ত্রী রোজি সুলতানার ঢাকা সেনানিবাসের বাসায় যাওয়ার জন্য বাসের জন্য এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় কালো রংয়ের একটি প্রাইভেটকার তার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বলেন- স্যার আমরা ঢাকায় যাচ্ছি। ২৫০ টাকা ভাড়া দিলে আপনাকে নিয়ে যাব। তাদের এমন কথায় তিনি ওই প্রাইভেটকারে যাত্রী হয়ে উঠেন।
এরপর টাঙ্গাইল শহর বাইপাস এলাকায় আসার পর প্রাইভেটকারে অপর তিন জন ইউনুছ রুমানকে হাত, পা ও চোখ, মুখ বেধে অজ্ঞান করে পিটিয়ে একটি পা ভেঙ্গে দেয়। তার সঙ্গে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মোবাইলসহ মালামাল লুটে নেয়। ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা এটিএম কার্ড দিয়ে এক লাখ ১০ হাজার টাকা উঠিয়ে নেয়। পরে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে রাতে তাকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে মির্জাপুরে এসে তাকে গাড়ী থেকে ফেলে দিয়ে অপরাধীরা পালিয়ে যায়।
এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে তার আত্মীয়-স্বজন হাসপাতারে ছুটে আসেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ বলে নিকটজনরা জানিয়েছেন।






