আদালত সংবাদদাতা ॥
টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের স্পোশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডিত আসামি হলেন- টাঙ্গাইল পৌর এলাকার দিঘুলিয়া গ্রামের আ: বারেকের ছেলে সোলায়মান (৪৭)।
টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট শাহজাহান কবীর জানান, বিগত ২০০৬ সালে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার শাহজানী গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর মেয়ে আয়শা বেগমকে (২০) বিয়ে করেন আসামি সোলায়মান। গায়ের রঙ কালো হওয়ায় স্বামীর বাড়ির লোকজন আয়শাকে নির্যাতন করতে থাকে।
এক পর্যায়ে বিগত ২০০৭ সালের (৫ মার্চ) রাতে স্বামী সোলায়মান ছয় মাসের গর্ভবতী স্ত্রী আয়শাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালুটিয়া গ্রামের একটি বাঁশঝারে লাশ ফেলে রাখে। সকালে স্থানীয় লোকজন বাঁশ ঝারে লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরদিন (৬ মার্চ) আয়শার মামা আদম আলী বাদি হয়ে স্বামী সোলায়মান, শশুর আ: বারেক, ভাসুর ইউসুফ আলী ও শাশুরীকে আসামি করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ১৯ বছর পর সোমবার আসামি সোলায়মানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর তিন আসামিকে খালাস দেন আদালত। রায়ের দিন দণ্ডিত আসামি আদালতে হাজির ছিলেন না। তার অনুপস্থিতিতেই রায় পড়ে শোনান বিচারক।