
স্পোর্টস রিপোর্টার ॥
সকালে সূর্যের আলো ফুটে উঠতেই ব্রজপাতের শব্দ আর কালো মেঘে আকাশের ছেয়ে যাওয়া, নিমিষেই অবিরাম তুমুলবৃষ্টি ঘন্টা খানেক। বৃষ্টি থেমে গেলে মাঠের সিংহভাগ জায়গা জুড়ে পানি। তবু দমে যাওয়ার দল নয় টাঙ্গাইল ফোরটি আপ ব্রাদার্স ক্লাব। মাঠে জমে থাকা পানি ও কাঁদা মাটিতেই জমজমাট ও আকর্ষনীয় ফুটবলের নির্দশন রাখলেন চল্লিশোর্ধ বিভিন্ন পেশার সৌখিন ফুটবলাররা।
শনিবার (২ মে) সকালে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কলেজ মাঠে ফোরটি আপ ব্রাদার্স ক্লাবের আয়োজনে বৈশাখী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাসান আলীর লাল দল এবং ইমরান হাসানের নেতৃত্বে সবুজ দল মুখোমুখি হয়।
কাঁদা মাটি আর মাঠের সিংহভাগে জমে থাকা পানির আধিক্য থাকায় স্বাভাবিক ফুটবল কোন দলই খেলতে পারেনি। তারপরও এই ভারী মাঠে লাল দলের টিপু, হাসান, নোমান ও পিনাকী দে চমৎকার সারামাঠ জুড়ে খেলেছেন। সবুজ দলের দক্ষ স্টাইকার ইমতিয়াজকে লাল দলের ডিফেন্ডার হাবিব সারাক্ষণ লেগে থেকে ইমতিয়াজকে খেলার কোন সুযোগ দেয়নি। যার কারনে অকেজো হয়ে যাওয়া সবুজ দলের অনুপম ও ডাঃ নজরুল মাঠে গোল করার কোন সুযোগ তৈরী করতে পারেনি।
উল্টো লাল দলের স্টাইকার শিমুল খান বিক্ষিপ্ত আক্রমণে ফাঁকা মাঠে মিস করে লাল দলকে গোলবঞ্চিত করেছেন। তবে খেলার শুরুতে সবুজ দলের গোলরক্ষক সুব্রত ধর একটি গোলহজম করলেও এরপর তাকে আর কেই পরাস্থ করতে পারেনি। লাল দলের গোলরক্ষক আল আমিন তো তাঁর সেরা খেলা খেলে তিনটি নিশ্চিত গোল ফিরিয়ে সবুজ দলকে হতাশায় ডুবিয়েছেন।

খেলার ৯ মিনিটের সময় প্রায় মাঝ মাঠের জটলায় বল পেয়ে ড. পিনাকী দে ফাঁকায় দাঁড়ানো মধ্যমাঠের দুরন্ত খেলোয়াড় নোমানকে ছোট পাস দিলে নোমান ত্বরিত গতিতে দূরন্ত শট নেয়। এতে সবুজ দলের গোলরক্ষক সুব্রত ধর কিছু বুঝে উঠার আগেই তাঁকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়িয়ে যায় (১-০)। এই গোলে লাল দল এগিয়ে যায়।
এরপর সবুজ দল অগোছালো ভাবে বিক্ষিপ্ত আক্রমন করে খেলেও গোল করে খেলায় সমতা আনতে পারেনি। লাল দলও গোল করে ব্যবধান বড় করতে পারেনি।
দু’দলে যারা খেলেছেন- লাল দল- আল আমিন, গৌড় সুন্দর, প্রফেসর ছানোয়ার, বিশ্বজিৎ, রফিকুল ইসলাম, মামুন, হাজী সোহেল, টিপু, পিনাকী দে, সৈয়দ বেল্লাল, হাবিব, উৎপল, শিমুল খান, নোমান, আরিফ ও হাসান (অধিনায়ক)।
সবুজ দল- সুব্রত ধর, ইমরান (অধিনায়ক), ডাঃ শরিফুল, বিজয়, সুজিত, লিটন, উজ্জল, রাতুল, আয়নাল, অনুপম, নুরে আলম ভূইঁয়া, দুলাল, মমিন, ইমতিয়াজ, ডাঃ নজরুল, মজিবর ও ডাঃ আব্দুল্লাহ।
রেফারী ছিলেন হারুণ অর রশীদ।






