
স্টাফ রিপোর্টার, মির্জাপুর ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ড. আয়েশা রাজিয়া খোন্দকার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কাজী হান্নান মব আতঙ্কে কলেজে যোগদান করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। সুষ্টুভাবে কলেজ পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন।
যৌন হয়রানি, অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২১ মে) কলেজ সংলগ্ন এলাকা ধল্যাতে তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়। এর একদিন পর শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মির্জাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্কুল শাখার সহকারি শিক্ষক সোলাইমান (ইংরেজি) আমার বিরুদ্ধে কলেজ পরিচালনা কমিটির নিকট তার স্ত্রীকে জড়িয়ে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। তার অভিযোগ তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবীব তাকে কলেজে যোগদানের জন্য পত্র দেন।
বুধবার (২০ মে) তিনি কলেজে যোগদান করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু হানিফ তার যোগদান পত্র গ্রহণ করেননি। এ সময় স্থানীয় যুবক ইবলু খানের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন লোক তার ওপর হামলা চালায়। পরে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবকসহ স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন।
তিনি আরও বলেন, সহকারী শিক্ষক সোলাইমানের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে কথা বলা এবং কলেজ এমপিও হওয়ার পর তার কাছে বেতনের তিন লাখ টাকা কলেজ ফান্ডে ফেরত দেওয়ার কথা বলায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন তিনি। কলেজের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হাফিজুল ইসলাম স্থানীয় হওয়ায় কলেজের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই আর্থিক হিসাব নিয়মিত দেন না। এটা বললেই তিনি ক্ষিপ্ত হন।
এসব কারনেই তাদের নেতৃত্বে স্থানীয় একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি আরও বলেন, যেকোন সময় তার উপর মব সৃষ্টি হতে পারে। এজন্য তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।






