স্টাফ রিপোর্টার ॥
ঈদুল আযহার ছুটি শেষে দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মস্থলে ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ। এতে যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ। একই সঙ্গে গণপরিবহনের সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও করেছেন যাত্রীরা। গত কয়েক দিন ধরেই টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। রোববার (৩১ মে) দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত সোমবার (১ জুন) যমুনা সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৩৯২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪০০ টাকা।
সোমবার (১ জুন) সরেজমিনে যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর, এলেঙ্গা, রাবনা, নগরজলফৈসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের চাপ রয়েছে। তবে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও কোনো যানজট বা যানবাহনের ধীরগতি দেখা যায়নি।
কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়ার রফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকায় যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছেন। বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছেন প্রচন্ড গরমে কষ্ট হচ্ছে। এছাড়া আড়াইশ’ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। ঢাকার গাবতলীগামী যাত্রী হেনা বেগম জানান, ঈদের আগেও বাড়তি ভাড়া দিয়ে বাড়িতে এসেছিলাম। এখনো অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। তার মতো সাধারণ মানুষকে সব সময়ই ভোগান্তি পোহাতে হয়।
এদিকে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে যমুনা সেতুর উভয় পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি টোলবুথ চালু রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য আলাদাভাবে দুই পাশে দুটি করে বুথ রয়েছে। যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেতু এলাকায় কোনো যানজট নেই।