স্পোর্টস রিপোর্টার ॥
গোলবারের কাছে যখন বল চলে আসে। তখন বলে লাথি মারা কিংবা বলে গাঁ লাগানোর জন্য কেউ না থাকলে মনে মনে নিজের পাঁ চলে যায় বলের দিকে। বলে লাথি কিংবা ছোঁয়া লাগাতে পারলেই গোল। কিন্তু বিধিবাম! স্বপ্ন, স্বপ্নই। স্বপ্নের ভিতর দিয়েতো গোল করা যাবে না। তবে খেলার মাঠে প্রিয় দল যখন গোল মিস করে, তখন এই আফছোস লাগে। কিছু করার নাই প্রিয় দল হেরে যায়, কষ্ট লাগে! কথাগুলো বলেছিলেন নুরে আলম ভূঁইয়ার লাল দলের সমর্থক বিজয় কর্মকার। তার কষ্ট লাল দল ভালো খেলেও গোল মিসের কারণে হেরে গেলো।
শনিবার (৬ জুন) সকালে টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত ফোরটি আপ ব্রাদার্স ক্লাবের আয়োজনে ঈদ পূর্নমিলনী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে সবুজ দল (২-১) গোলে লাল দলকে পরাজিত করেছে।
খেলার শুরুতে লাল দলের দক্ষ স্ট্রাইকার ইমতিয়াজ চমৎকার গোল করে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। খেলায় পিছিয়ে পড়ে ইফতেখারুল অনুপমের সবুজ দল গোল পরিশোধের জন্য আক্রমন করে খেলতে থাকে। খেলার ২২ মিনিটের সময় শিমুল খানের উঁচু লব থেকে লাল দলের ডিবক্সে আয়নাল হেড করলে বল গোলরক্ষক আল আমিনকে কোন সুযোগ না দিয়ে বল জালে জড়িয়ে যায়। এতে (১-১) গোলে খেলায় সমতা ফিরে আসে। 
এরপর খেলার দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নোমান, শিমুল খান ও ডা. আব্দুল্লাহর মাধ্যমে বল পান ফাঁকায় দাঁড়ানো নিলয়। সে লাল দলের লিটন সাহাকে কাটিয়ে একক প্রচেষ্টায় গোলে শট করে গোলরক্ষক আলআমিনকে পরাস্ত করে দলকে (২-১) ব্যবধানে এগিয়ে নেয়। এরপর আর কোন পক্ষ গোল করতে পারেনি কোন দল। তবে লাল দলের আক্রমন খেলায় ছিলো বেশী। কিন্তু দক্ষ গোলদাতার অভাবে লাল দল গোল করে এগিয়ে যেতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধের সবুজ দল একটু গুছিয়ে খেলতে থাকে। আর লাল দলের বিক্ষিপ্ত আক্রমন সবুজ দলের ডিফেন্সে বাধা পড়লে গোল বঞ্চিত হয়। খেলায় সবুজ দলের মমিন, মুজিবুর ও নোমান পরপর গোল করার সুযোগগুলো নষ্ট করায় সবুজ দল (২-১) গোলের মধ্য দিয়ে জয়লাভ করে।
দুই দলের খেলোয়াড়রা হলেন-
সবুজ দল- গোলরক্ষক- সুব্রত ধর, ডিফেন্স- ইমরান, ডা. শরিফুল, বিশ্বজিৎ, মিশু, মধ্যমাঠ- রাতুল, ছানোয়ার, অনুপম (অধিনায়ক), নিলয়, ডা. আব্দুল্লাহ, স্টাইকার- বেলাল, শিমুল, নোমান, মজিবর, মমিন, আরিফ, আয়নাল, মামুন।
লাল দল- গোলরক্ষক- আল আমিন, ডিফেন্স- সুজিত, রফিক, লিটন, সুজায়েত, গৌর সুন্দর, মধ্যমাঠ- টিপু, উৎপল, দুলাল, পিনাকী দে, হাবিব, উজ্জল, স্টাইকার- হাসান, ইমতিয়াজ, ডা. হায়দার, ডা. নজরুল, ভূইয়া (অধিনায়ক)।
রেফারি ছিলেন হারুন অর রশিদ।