স্পোর্টস রিপোর্টার ॥
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ন প্রথম সেমিফাইনালের শেষ মুহুর্তে ১০ মিনিট বাকী থাকতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা দলের অধিনায়ক সুমন রেজা পাস থেকে চমৎকার শটে স্টাইকার সৌরভ দেওয়ানের শট নাগরপুরের জাল র্স্পশ করার সাথে সদরের খেলোয়াড়সহ দর্শকের উল্লাসের জোয়ার থেমে যায় লাইন্সম্যান রুবাইতের বির্তকিত ফ্ল্যাগ উত্তোলনে অফসাইডের কারনে। অফসাইডের কারণে সৌরভ দেওয়ানের গোলটি বাতিল হয়। এই গোলটি হলে সদর উপজেলা দলকে টাইব্রেকার নামক ভাগ্য পরীক্ষায় যেতে হতো না। তবে টাইব্রেকারের ভাগ্য পরীক্ষায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা দল (৬-৫) গোলে নাগরপুর উপজেলা দলকে পরাজিত করে ফাইনালে উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলার শুরু থেকে টাঙ্গাইল সদর দল আক্রমন করে খেলতে থাকলেও নাগরপুর উপজেলা দলের কৌশল ছিলো ধীরে চলে নীতিতে। নাগরপুর উপজেলা দল সদরের আক্রমনগুলো ফাউল কিংবা ট্যাকল করে তা নস্যাৎ করেছে। খেলার গতি ধীর করার জন্য তারা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ের অপচয় করেছে।
এছাড়াও সদর দলের স্টাইকারের ৩টি কাঙ্খিত গোল নষ্ট করার কারণে খেলাটি নির্ধারিত সময়ে গোলশুন্য ড্র হয়। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সৌরভ দেওয়ানের গোলটি কোন যুক্তিতে লাইন্সম্যান রুবাইত বাতিল করলো, সেই প্রশ্ন পুরো মাঠ জুড়ে।
প্রায় ১০ হাজার দর্শকের উপস্থিতির টাইব্রেকারে টাঙ্গাইল সদর দলের জয়লাভের পর দর্শকের মুখে একটি কথা “একটি নায্য গোল রুবাইত বাতিল করেছে!”
দুই দলের খেলোয়াড়রা হলেন- টাঙ্গাইল সদর- মজনু (গোলরক্ষক), বাম্বা (নাইজেরিয়া), আবু বক্কর কামারা (নাইজেরিয়া), মুন্না, রেজাউল, অনিক, নেইমার (নাইজেরিয়া), বিল্লাল (নাইজেরিয়া), সৌরভ দেওয়ান, সুমন রেজা (অধিনায়ক) ও সুলেমান ছিল্লা (নাইজেরিয়া)।
নাগরপুর উপজেলা দল- নাঈম (গোলরক্ষক), শান্ত (অতিথি), আলামিন, জাফর ইকবাল (বসুন্ধরা), এনামুল (রহমতগঞ্জ), হাবিব (অধিনায়ক), ইউসুফ, হৃদয়, শিবা (নাইজেরিয়া), আলামিন ও সিরাজ।
রেফারী ছিলেন- সায়মন হাসান, সহকারী রেফারী- রুবাইত হাসান ও রনি।
বুধবার (২৮ জুলাই) বিকেলে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল খেলায় অংশ নিবে গোপালপুর উপজেলা দল বনাম ভূঞাপুর উপজেলা দল।