গোপালপুর প্রতিনিধি ॥
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামে বিয়ের মাত্র তিন মাসের মাথায় মুন্নি (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর বাড়ির একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে হেমনগর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মুন্নি ফুলবাড়ি মধ্যপাড়া গ্রামের মঞ্জুর মিয়ার মেয়ে।
জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সালিশের মাধ্যমে একই গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে জিহাদ ভূঁইয়ার (২৩) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সেসময় বিয়ের আগে ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ ও মেয়ের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুন্নির মা রিনা বেগম হেমনগর তদন্ত কেন্দ্রে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় মুন্নির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী জিহাদ ভূঁইয়াসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের কাউকেই বাড়িতে পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ণয় এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।