স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের আউলটিয়া ঋষিপাড়া কালী মন্দির এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন মিয়ার হস্তক্ষেপে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিয়ের আয়োজন ছিল। পরে খবর পেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের আয়োজন করছিল ওই কিশোরীর পরিবার। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিয়ের আয়োজন নির্ধারিত ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন মিয়াকে অবহিত করেন।
এমন খবর পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেন সদর উপজেলা ইউএনও। তিনি সদর উপজেলা তথ্যসেবা কর্মকর্তা শামীমা আক্তার শাম্মীকে দায়িত্ব দিয়ে রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পাঠান। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ সময় কিশোরীর বাবা লিখিত মুচলেকা দিয়ে প্রশাসনের কাছে অঙ্গীকার করেন, মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তার বিয়ে দিবেন না। বাল্যবিবাহ বন্ধের সময় টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মাহবুব এবং স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সুজন উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।