
স্টাফ রিপোর্টার ॥
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে আনারস উৎপাদন এবং ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর ফল নিশ্চিত করতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বাণিজ্যিকভাবে ফল চাষ, সংরক্ষণ ও পাকানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হরমোন ও রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধে কৃষকদের সচেতন করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমাড়া এলাকায় ফকির মাহবুব আনামের খামার বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পরে তিনি মধুপুরের পাহাড়ি গ্রাম নেদুরবাজার ও মহিষমারায় পৃথক দুটি কৃষক সমাবেশে যোগ দেন। সেখানে কৃষিমন্ত্রী বলেন, মধুপুর গড় কলা, আনারসসহ বিভিন্ন ফল চাষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানকার উৎপাদিত ফল দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। মধুপুরের আনারস এখন স্পেন, পর্তুগাল ও পাকিস্তানেও রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানির এ ধারা অব্যাহত রাখতে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে ফল চাষ এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। ফল পাকাতে ক্ষতিকর হরমোন ব্যবহারের অভ্যাস পুরোপুরি পরিত্যাগ করতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, পাশাপাশি নিরাপদ ফল উৎপাদনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যাতে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি ভোক্তারাও নির্ভেজাল ও পুষ্টিকর ফল পান। মধুপুরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আদা ও হলুদ চাষে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে।
এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সহসভাপতি এম রতন হায়দারসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে কৃষিমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত আদর্শ কৃষক ছানোয়ার হোসেনের ফল, সবজি ও মসলার খামার পরিদর্শন করেন।





