
স্টাফ রিপোর্টা, মির্জাপুর ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেছেন, সকলের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই কেবল অপরাধীদের নির্মূল করা সম্ভভ। অপরাধীরা প্রতিনিয়ত অপরাধের নিত্য নতুন পরিকল্পনা করে থাকে। পুলিশ তাদের সেই পরিকল্পনা মোকাবেলায় কাজ করে থাকে। তবে সকল স্তরের মানুষ যদি সচেতন হয়ে ও সম্মিলিতভাবে প্রশাসনকে সহযোগিতা করে। তবে তাদের কোন পরিকল্পনাই কাজে আসবে না।
সোমবার (৩ মার্চ) সকালে ব্যাংক ও গ্রাহকদের সার্বিক নিরাপত্তায় ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক (ম্যানেজারদের) সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
থানা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে ওসি মোশারফ হোসেন এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এ সময় মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাহ উদ্দিন, দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গিয়াস উদ্দিন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান, ইসলামি ব্যাংকের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল আহাদ ও অগ্রণী ব্যাংকের ম্যানেজার ফজলে রাব্বি শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় সোনালী, অগ্রণী, কৃষি, রুপালী, ডাচ-বাংলা, ন্যাশনাল, প্রিমিয়ার, প্রাইম, কমিউনিটি, ব্রাক, এনসিসি ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের ২৫ জন ম্যানেজার উপস্থিত ছিলেন।
ওসি মোশারফ হোসেন ব্যাংক কর্মকর্তা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মালিক, প্রতিনিধিদের দিক-নির্দেশনামূলক পরামর্শে বলেন, ব্যাংকের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। ব্যাংকের ভিতরে বাইরে সিসি ক্যামেরা লাগাতে হবে। দিনে ও রাতে প্রহরীদের সর্তক রাখতে হবে। প্রশাসন বা অন্য কোন পরিচয় দিয়ে রাতের বেলায় ব্যাংকে ঢুকতে চাইলে থানা পুলিশকে জানাতে হবে। একই ব্যাক্তি একাধিক বার ব্যাংকে প্রবেশ বা বাহির হলে সেই ব্যক্তির বিষয়ে সর্তক হয়ে খোঁজ নিতে হবে। শুক্র, শনিবারসহ বন্ধের দিনে ব্যাংক ম্যানেজারকে প্রহরীদের খোঁজখবর রাখতে হবে। কোন গ্রাহক এ.টি.এম বুথে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে তার বিষয়ে খোঁজ নিতে হবে। বড় ধরনের আর্থিক লেনদেন করলে প্রয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা নিতে হবে। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ফেরার পথে ডিবি পুলিশ বা প্রশাসনের পরিচয় দিয়ে টাকা দেখতে চাইলে পুলিশের সহযোগিতা নিতে হবে। এ.টি.এম বুথে মাস্ক বা হেলমেট পড়ে ঢুকলে তার বিষয়ে সচেতন হয়ে পুলিশকে জানাতে হবে। এ.টি.এম বুথ, বিকাশ, নগদসহ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিনকোড কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না।
এদিকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও মালিকদের নিয়ে থানা পুলিশের এ ধরণের আয়োজন করায় তাঁরা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।






