
স্টাফ রিপোর্টার ॥
স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার চাঁনপাড় গ্রামে। একটি ব্রিজ ও কাঁচা রাস্তাগুলো এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্রামবাসীর জন্য। একটু বৃষ্টি হলেই দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ঘটছে হতাহতের ঘটনাও। মেয়ে বিয়ে দেয়া ও ছেলে বিয়ে করানো থেকে শুরু করে কেউ আত্মীয় করতে চান না এই এলাকার সাথে। দুর্ভোগ লাগবে বার বার প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। দ্রত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের।
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের চাঁনপাড়া গ্রামের রাস্তা এটি। স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিবাহিত হলেও কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি গ্রামটি। ব্রীজ ও রাস্তা না থাকায় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো মানুষের। মুখ থুবড়ে পড়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়ন। বর্ষা মওসুমে রাস্তার মাঝপথে অবস্থিত খালে পানি ঢুকলে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়। কাঁচা রাস্তা সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্থানীয়দের। কষ্ট স্বীকার করেই বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া চিকিৎসা নিতে রোগীদের পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়।

নির্বাচন এলেই প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতারা ব্রীজ ও রাস্তাটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পর পাকা করা তো দূরের কথা, মেরামত করারও কোনো উদ্যোগ নেন না তারা। যান্ত্রিক কোন যানবাহন না চলাচল করায় ঘোড়ার গাড়ি বা পায়ে হেঁটে যেতে হয় গন্তব্যে। ইতিমধ্যে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অনেকেই। দ্রুত রাস্তাটি পাকা করার দাবি এলাকাবাসীর।
মোকনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম বলেন, জনসাধারণের দাবির প্রেক্ষিতে রাস্তাটির বিষয়ে বার বার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোন কাজে আসছে না। ভোগান্তি লাগবে অতি দ্রুত রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেবে কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা করছি।
জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন নাগরপুর উপজেলা প্রকৌশলী ইফতেখার সারোয়ার ধ্রুব। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নতুনভাবে এই প্রকল্পটি চালু করা হবে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে আমাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই ট্রেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরু করা হবে।





