
স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের মধুপুরে আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ থেকে হাকিম (৩৭) নামের এক চালকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৬ আগস্ট) ভোরে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের নেকিবাড়ী এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত হাকিম মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী এলাকার আবু হানিফের ছেলে। পেশায় তিনি একজন গাড়িচালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার (১৬ আগস্ট) ভোরে রাস্তার পাশে এক ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। ধারণা করা হচ্ছে, শেষ রাতের কোনো এক সময় তার মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মধুপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম বলেন, নিহতের কোমর থেকে উরু পর্যন্ত হাড় ভাঙা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু, তা অধিকতর তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ আরও জানায়, এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বেচু (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল পাঁচটার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বেচু মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের রামকৃষ্ণ বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা বগুড়াগামী একটি বাস কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় স্থানীয় মোটের বাজার এলাকা থেকে আসা একটি অটোরিকশা মহাসড়কে ওঠার সময় বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী বেচু মারা যান এবং চালকসহ আরও দুজন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন।
খবর পেয়ে মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।






