
স্পোর্টস রিপোর্টার ॥
এক থেকে দেড় মিনিট খেলার সময় বাকী। (২-১) গোলে এগিয়ে সবুজ দল জয়ের পথে। কিন্তু শেষ সময়ে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়দের অফসাইড ট্র্যাপে ফেলতে গিয়ে নিজেরাই ট্র্যাপে পড়ে গেল। টাঙ্গাইলের এক সময়ের তারকা ফুটবলার লাল দলের শিমুল খানের দারুন উড়ন্ত পাস থেকে হেড করে আরিফ গোল করলে (২-২) এ সমতায় ফিরে। এতে সবুজ দলের জয়ের বন্দরে নোঙর করা হয়নি। তীরে এসে তরী ডুবার অবস্থা। ভাগ্যগুনে ২টি গোল পেলেও খেলায় সবুজ দলের চেয়ে লাল দল ভালো খেলেছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে ফোরটি আপ ব্রাদার্স ক্লাবের আয়োজনে শরৎকালীন প্রীতি ফুটবল ম্যাচে যথারীতি সবুজ ও লাল দল অংশগ্রহণ করে। খেলার শুরু থেকে লাল দল সুন্দর পাসিং ফুটবল খেলতে থাকে। কিন্তু দলের স্টাইকার মমিন ও সৈয়দ বেল্লাল গোল করার ২টি খুবই সহজ সুযোগ নষ্ট করলে লাল দলের এগিয়ে যাওয়া হয়নি। এর মধ্যে একটি গোল হলেও খেলার ফলাফল অন্যরকম হতে পারত!
উল্টো খেলার ২২ মিনিটের সময় লাল দলের ডিবক্সে ভুলপাসের সুযোগে সবুজ দলের মধ্যমাঠের পরিশ্রমী খেলোয়াড় ডাক্তার নজরুল গোল করে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। এক গোলে এগিয়ে থেকে সবুজ দল আরো ভালো খেলতে থাকে। খেলার ২৬ মিনিটের সময় চমৎকার পাসিং ফুটবলের প্রদশর্নী থেকে মধ্যমাঠের হাবিব গোলরক্ষককে কাটিয়ে গোল করে (২-০) সবুজ দলের ব্যবধান বাড়িয়ে দেয়।
লাল দল খেলায় ফিরে আসার তাগিদে শিমুল খান, দুলাল, ড. পিনাকী দে, আরিফ, আলামিন ও নোমান দারুণ খেলতে থাকলে সবুজ দলের ডিবক্সে হান্ডবল থেকে পেনাল্টি অর্জন করে। বির্তকিত পেনাল্টি শটে শিমুল খান গোল করে (২-১) ব্যবধান কমিয়ে আনে। এরপর লাল দলের গোল করে খেলায় ফিরে আসার আক্রমন দক্ষ স্টাইকারের অভাবে বঞ্চিত হয়। সবুজ দলের ডিবক্সে হাবিব, টিপু ও সোহেল হাজীর সাথে মধ্যমাঠে অনুপম, ডাক্তার নজরুল ও আব্দুল্লাহ ডিফেন্স শক্ত রেখে অফসাইড ট্র্যাপ করে পাল্টা আক্রমনে খেলতে থাকে। সে কারণে দলের একমাত্র নির্ভরযোগ্য স্টাইকার ইমতিয়াজ গোল করার মতো কোন সুযোগই নিতে পারেনি।
উল্টো খেলার শেষ মুহুর্তে অফসাইপ ট্র্যাপ ভেঙে বা পাশ দিয়ে শিমুল খান বল নিয়ে এগিয়ে ডান পাশের কর্ণার থেকে গোলমুখী ক্রস করলে ফাঁকা মাঠে আরিফ হেড করে গোলরক্ষক সুব্রত ধরকে পরাস্ত করে (২-২) খেলায় সমতা আনে। সুব্রত ধর সঠিক পজিশন কিংবা আরিফের সাথে ডিফেন্ডার রাতুল লেগে থাকলে লাল দল গোল করার সুযোগ পেত না।
দুই দলের খেলোয়াড়রা হলেন- সবুজ দল- সব্রুত ধর (গোলরক্ষক), উজ্জল, রফিক, হাসান, ডাক্তার নজরুল, ডাক্তার আব্দুল্লাহ, রাতুল (অধিনায়ক), সোহেল হাজী, মোস্তফা, নুরে আলম ভূঁইয়া, টিপু, অনুপম ও ইমতিয়াজ।
লাল দল- পরিচয় (গোলরক্ষক), ছানোয়ার হোসেন, ইমরান, ড. পিনাকী দে, নোমান (অধিনায়ক), উজ্জল, ডাক্তার শরিফুল, মমিন, সুজায়েত, দুলাল, সৈয়দ বেল্লাল ও আল আমিন।
রেফারী ছিলেন- মাসুদ, সহকারী রেফারি- রনি ও জাহিদ।





