
স্টাফ রিপোর্টার, দেলদুয়ার ॥
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্পন্দনবি কর্তৃক আয়োজিত রুর্যাল ট্যালেন্ট এডভান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (আরটিএপি) এর প্রতিযোগিতামূলক মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০ ঘটিকায় উপজেলার সৈয়দ আব্দুল জব্বার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, বিগত ২০০৩ সাল হতে স্পন্দবি এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার যাত্রা শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ২৩ তম মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উপজেলার ২৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিটি বিদ্যালয় হতে ২৫ জন করে ৬৭৫ জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগীতায় অংশ নেন। প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতি ক্লাস হতে ১০ জন করে মোট ৫০ জনকে মেধাবৃত্তির জন্য চুড়ান্তভাবে মনোনীত করা হবে।
স্পন্দনবি বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য প্রত্যেক স্কুল হতে ২৫ জন করে শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ মেধাবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার মান উন্নয়নে ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা প্রশ্নপত্র তৈরি করি এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভূক্ত করি। শিক্ষার্থীরাও যেন বুঝতে পারে কিভাবে সততার সাথে, ঘার না ঘুড়িয়ে এদিক ওদিক না তাকিয়ে পরীক্ষা দেয়া যায়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে উন্নত শিক্ষার প্রভাব বিস্তার করবে বলে আমারা মনে করি।
এ বিষয়ে ডা. এফ আর খান পাইলট ইন্সটিটিউটের প্রধান শিক্ষক নিলুফার ইয়াছমিন জানান, স্পন্দনবি মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগীতামূলক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে শিক্ষার মান দিন দিন উন্নতির শিখড়ে পৌঁছাচ্ছে।
সহকারী প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান জুয়েল বলেন, স্পন্দবি এর মাধ্যমে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা হওয়াতে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা বিকাশের সুযোগ পাচ্ছে এবং পড়াশোনার প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়ছে।
শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানান, মাঝে মধ্যে এই ধরণের প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পাড়লে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি মনোনিবেশ ঘটবে। সেই সাথে তাদের মেধার যথার্থ মূল্যায়ন হবে ও বাড়ীতে পড়ার প্রতি আগ্রহী হবে।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, স্পন্দনবি মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত। এই ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পাড়লে আমাদের শিক্ষার মান দিন দিন আরও উন্নত হবে এবং আমাদের মেধার যাচাই করতে পারবো।






