
স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় রোজায় বেশি ব্যবহার হয় এমন সব নিত্য ও ভোগ্যপণ্যের মজুদ দাম বাড়তে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলার চেষ্টা করছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বেড়ে গেছে তাই নিত্যপণ্যের দামও বাড়ছে। অথচ জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনটি একটি সুপারিশ মাত্র। এটি কবেনাগাদ বাস্তবায়ন হবে কিংবা আদৌ শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব কি না সেই বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেছেন।
টাঙ্গাইলের বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সবজি ও পেঁয়াজ ছাড়া এখন বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম বেশি। ডিম ও মুরগির দাম কমলেও তা সাময়িক। এ দুটি পণ্যের দাম দ্রুত পরিবর্তন হয়ে থাকে। চাহিদা বাড়লেও হু হু করে বেড়ে যায় ডিম ও মুরগির দাম। এছাড়া চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, আটা, চিনি, মসলা জাতীয় পণ্য এবং গরু ও খাসির মাংসের দাম বেশি। ভরা মৌসুমেও কমেনি চালের দাম। রমজান মাস সামনে রেখে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল ও ছোলার দাম ইতোমধ্যে বেড়ে গেছে।
এসব পণ্যের বিপুল পরিমাণ আমদানি হলেও বেতন বৃদ্ধির সুপারিশের খবরেই দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে রীতিমতো কথা কাটাকাটি হচ্ছে। বেতন যে এখনো বাড়েনি এটাই বিশ্বাস করছে না সাধারণ খুচরা ব্যবসায়ীরা।
টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন বাজারে এক সপ্তাহ আগেও সোনালি মুরগির দাম ছিল ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা যায়। ব্রয়লার মুরগির দাম আগের মতো ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও গত সপ্তাহের মতো ১১০-১২০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে। সরু নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল ৭৫-৮০, মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা চাল ৬০-৬৮ এবং মোটা জাতের স্বর্ণা ও চায়না ইরি ৫৫-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শবে-বরাত সামনে রেখে বেশিরভাগ ডাল জাতীয় পণ্যের দাম বেড়ে গেছে।






