
স্টাফ রিপোর্টার, নাগরপুর ॥
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার, গুজব রটানোর প্রতিবাদে ছাত্রদলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে দলীয় কার্যালয়ে ছাত্রদল এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মীর খালিদ মাহবুব রাসেল।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফার আলোকে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনার মধ্যদিয়ে বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরংকুশ আসনে জয়লাভ করে এবং সরকার গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনা করে আসছে। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সকল প্রক্রিয়া চুড়ান্ত পর্যায়ে এনেছেন। সেই লক্ষে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করেছেন। এই নিয়োগ পরীক্ষা এবং চুড়ান্ত ফলাফল দায়িত্বশীল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ দিয়েছেন। এখানে বিএনপি বা এর অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের কোন হস্তক্ষেপ ছিল না। পুরো প্রক্রিয়া ছিল প্রশাসনের হাতে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরোও বলেন, অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সাথে জানাচ্ছি যে, বর্তমান সরকার যখন তার প্রতিটি নির্বাচনী ওয়াদা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে বাধাগ্রস্থ করতে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ব্যারিস্টার আশরাফ, জামাত নেতা ব্যারিস্টার হাসনাত জামিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসত্য, মিথ্যা বিভ্রান্তিকর গুজব ছড়িয়ে দলের এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গিকার বাস্তবায়নে বাধা এবং জনগণকে সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই জামাত ও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা অত্যন্ত সুকৌশলে নিরীহ লোকদের আবেগকে পুঁজি করে গুপ্তচর নিয়োগ করে তাদের মাধ্যমে জনগনের কাছে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এই গুজবে কান না দেওয়ার জন্য এবং বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য জনগনের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
তিনি আরোও বলেন, ব্যারিস্টার আশরাফ ও জামাতি নেতা হাসনাত জামিলের এজেন্ট হিসেবে নাগরপুরে কাজ করছে কৃষক সমিতি নেতা আবু বকর সে তাদের পরামর্শে একের পর এক মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির পায়তারায় লিপ্ত রয়েছে। এই আবু বকরের সাথে ব্যারিষ্টার আশরাফ ও হাসনাত জামিলসহ একাধিক ব্যাক্তির মোবাইল কানেকশন রয়েছে। তাদের কু-পরামর্শে গত রবিবার (৯ আগস্ট) ফেসবুক লাইভে এসে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলো এবং পরবর্তীতে ঐদিন দুপুরে আবু বকর তার অনুসারিদের নিয়ে নাগরপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস কাঠ বাগানে জড়ো হয়। নাশকতার পরিকল্পনা করে আবু বকর। বিষয়টি ছাত্রদলের নজরে এলে আমরা তাদের কোন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না করার জন্য অনুরোধ করা হয়। এ সময় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়, হামলায় ছাত্রদলের কলেজ শাখার আহবায়কসহ কমপক্ষে ৩ জন আহত হয়েছে।
এ সময় নাগরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শহিদুর রহমান মনির, যুগ্ম আহ্বায়ক পলাশ মিয়া, মোস্তাকিম মিয়া, রাসেল রহমান হৃদয়, কলেজ ছাত্রদল আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম আসলাম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফাহাদ আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সৈয়দ রাহাতসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।






