
স্টাফ রিপোর্টার, মির্জাপুর ॥
ঢাকার মিরপুর জামেউল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মুফতি আবুল বাশার নোমানী বলেছেন, যত্রতত্র নতুন করে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার বিষয়ে সরকার নতুন নীতিমালা তৈরি করছে। ওই নীতিমালা মেনেই নতুন করে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করতে হবে। কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় মাদরাসা বা ওলামায়ে কেরাম বহন করবে না। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন মাদরাসার একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপকর্মের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। এসব অপকর্মের সঙ্গে সত্যিকারের আলেম-ওলামারা জড়িত হতে পারেন না। তবে কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার দায় কোনোভাবেই পুরো মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বা আলেম সমাজের ওপর বর্তাবে না।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌর সদরের বাওয়ার কুমারজানী এলাকায় তাবলীগ মারকায মসজিদ ও মাদরাসায় ক্বওমি মাদরাসা ঐক্য পরিষদ, মির্জাপুরের উদ্যোগে আয়োজিত শিক্ষক কর্মশালা ও ইসলাহী জলসায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতি আবুল বাশার নোমানী বলেন, অতিরিক্ত মুনাফার উদ্দেশ্যে অনেকে বিভিন্ন বাসাবাড়ির কক্ষ ভাড়া নিয়ে যত্রতত্র মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে অনেক ক্ষেত্রেই নিয়ম-নীতি যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। এ কারণে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় শৃঙ্খলা আনা জরুরি। নতুন নীতিমালার বিষয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেখানে-সেখানে মাদরাসা স্থাপন করা যাবে না। পুরোনো মাদরাসাগুলোকে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হবে। মাদরাসা পরিচালনার জন্য নিজস্ব জায়গা অথবা নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া নেওয়া জায়গা থাকতে হবে। এছাড়া নতুন নীতিমালা অনুযায়ী মাদরাসার ভেতরে কোনো শিক্ষক রাত্রিযাপন করতে পারবেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মির্জাপুরের দেওহাটা এমদাদুল উলুম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শিহাব উদ্দিন শাজাহান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হযরত মাওলানা আশরাফুজ্জামান, হযরত মাওলানা ওয়াহিদুল ইসলাম, মুফতি শামসুল ইসলাম, মির্জাপুর তাবলীগ মারকায মসজিদ ও মাদরাসার খতিব মুফতি শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মির্জাপুর থানা মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা ফরিদ হোসাইন। শিক্ষক কর্মশালা ও ইসলাহী জলসায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দেড় শতাধিক মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।






